1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. banglarmukh71@gmail.com : admin1 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন

জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

জুলাই বিপ্লবের এক বছর: কুমিল্লায় শহীদদের স্মরণে ঐক্যের আহ্বান


স্টাফ রিপোর্ট :

 কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমীর মিলনায়তন ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। স্টেজে আলো ছড়াচ্ছিলো শহীদদের প্রতিকৃতির উপর। এক ঝাঁক আবেগ, ক্ষোভ আর প্রত্যয়ের আলোতে অনুষ্ঠিত হলো জুলাই বিপ্লবের প্রথম বর্ষপূর্তির শহীদ পরিবার ও যোদ্ধা সম্মিলন।

কুমিল্লা  জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিরুল কায়ছার এর সভাপতিত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে চাই, রাজনীতির দেয়াল ভেঙে সমাজে শান্তি ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই,” – দৃঢ় স্বরে সবাই বলেন। 

 চাঁদাবাজি ও বৈষম্য মুক্ত সমাজ গঠনের জন্য রাজনৈতিক নেতাদের এক ছাতার নিচে আসতে হবে। অথচ প্রশাসন এখনো পর্যন্ত কুমিল্লার শহীদদের জন্য ন্যায্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে চলমান রেখেছে যা আরও দ্রুত সম্পন্ন করা দরকার।

“জুলাই শহীদদের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ হয় ঢাকায়, কুমিল্লার শহীদ পরিবারগুলো ন্যায়বিচার বঞ্চিত যেন না হয়।
 স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ এবং ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ‘ফাঁসির দাবি’ – যা উপস্থিত হাজারো মানুষের মধ্যে আলোড়ন তোলে। এক পর্যায়ে হলজুড়ে “স্বৈরাচারের ফাঁসি চাই” ধ্বনিতে কেঁপে ওঠে।

উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা,ও সাবেক এমপি আমিনুর রশিদ ইয়াসিন, জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা জেলা কমিটি আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ সহ
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। তাঁদের অনেকেই বক্তব্যে কুমিল্লায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের কথা বলেন।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর চালানো দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে কুমিল্লা ছিল এক প্রতিবাদী নগরী। শহীদ হয়েছিলো একাধিক যুবক। সেই দিনের স্মৃতি আজও তাজা শহীদ পরিবারগুলোর চোখে-মুখে।

অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তে শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। কেউ কেউ আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। চোখের জলে ভিজে যায় কাগজের স্মারক।
তবে একথা নিশ্চিত, কুমিল্লা আজও জেগে আছে। প্রতিবাদের সেই আগুন এখনো নিভে যায়নি বলে বক্তারা বলেন। 

শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন